





বিশিষ্ট গরমকালীন প্রোডাক্টস
বিশেষ শীতকালীন প্রোডাক্টস
আমাদের ব্লগ দেখুন
আমাদের ব্লগ দেখুন
বাংলাদেশে সুইট কর্ন চাষ পদ্ধতি উচ্চ ফলনের ধাপে ধাপে গাইড সুইট কর্ন বাংলাদেশের কৃষকদের মাঝে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এর...
গরম, বৃষ্টি ও রোগ সহনশীল নতুন হাইব্রিড সবজি জাত – জামালপুর সীড্স ২০২৬ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের শীত, গ্রীষ্ম...
তরমুজ চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি: একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তরমুজ (Citrullus lanatus) গ্রীষ্মকালের অন্যতম প্রিয় একটি ফল । এটি কেবল...
মেলন চাষের সম্পূর্ণ পদ্ধতি: একটি বিস্তারিত গাইড মেলন চাষ বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল। সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং বাজারে...
জামালপুর সীড্স সাধারণ জিজ্ঞাসা
বীজের গুণমান, অর্ডার প্রক্রিয়া এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় আমাদের অঙ্গীকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
জামালপুর সীড্স বাংলাদেশের অন্যতম হাইব্রিড সবজি বীজ বিতরণকারী কোম্পানি। আমাদের নিজস্ব আর অ্যান্ড ডি খামারে বাছাইকৃত অধিক গুণাবলীসম্পন ও অতি উচ্চফলনশীল হাইব্রিড জাতগুলো আমরা সারা বাংলাদেশে বিতরণ করে থাকি।
হ্যাঁ, আমাদের বীজ সারা বাংলাদেশে বিতরণ করা হয়। সারা দেশে জামালপুর সীড্সের স্থানীয় ডিলার রয়েছে।
আমাদের প্রধান শাখা টুকু টাওয়ার, ১৪৫ সিদ্দিক বাজার, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
জামালপুর সীড্সের পন্যগুলো সরাসরি ক্রয় করতে পারেন আমাদের সিদ্দিক বাজারের প্রধান শাখা থেকে। এছাড়া সারা দেশে আমাদের স্থানীয় ডিলার রয়েছে। অথবা অর্ডার করুন হটলাইনে +৮৮০ ১৭১ ১০৫ ০৩৩১। উল্লিখিত নাম্বার ব্যতীত অন্যকোনো হটলাইন নেই।
আমাদের পন্য ছাড় সম্পর্কে জানতে দেখুন আমাদের বিজ্ঞপ্তি।
না, আমাদের পণ্য প্রি-অর্ডার করা সম্ভব নয়।
জামালপুর সীড্সের বীজের প্যাকেট অর্ডারে কোন ন্যূনতম পরিমাণ নেই। কৃষক বা ক্রেতা তাদের সুবিধা ও প্রয়োজন মাফিক আমাদের প্যাকেটকৃত বীজ যেকোনো সংখ্যায় ক্রয় করতে পারেন।
পণ্য ক্রয় করার পর আমাদের পন্য ২-৩ দিনে ক্রেতার কাছে সরবরাহ করা হয়।
জামালপুর সীড্সের পন্যগুলো প্যাকেট ব্যতীত খোলা অবস্থায় বাল্কে বিক্রি করা হয় না।
আমাদের ডিলার হতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমাদের হটলাইনে +৮৮০ ১৭১ ১০৫ ০৩৩১ যোগাযোগ করুন। এছাড়া আমাদের প্রধান শাখায়, টুকু টাওয়ার, ১৪৫ সিদ্দিক বাজার, ঢাকা-১০০০, ইচ্ছুক ডিলার তার তথ্য দিতে পারেন। অথবা আমাদেরকে করতে পারেন ইমেইল jamalpurseeds@gmail.com.
আমাদের প্রায় সকল জাতই অতি উচ্চফলনশীল রোগ প্রতিরোধী হাইব্রিড জাত।
জামালপুর সীড্সের জাতগুলোর অঙ্কুরোদগমের হার ৯৫% এর উর্ধে থাকে, ফলে কৃষক আমাদের জাতগুলোর চাষ করলে অধিক ফলন পান এবং লাভবান হন। বিতরণের পূর্বে আমাদের জাতগুলোর অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা করা হয় এবং শুধুমাত্র অধিক অঙ্কুরোদগম হারের বীজ বাজারে বিতরণ করা হয়।
আমাদের প্রায় সকল জাতই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ও ছত্রাকসহ বিবিধ রোগ প্রতিরোধী, অতি উচ্চফলনশীল হাইব্রিড জাত। বাজারে বিতরণের পূর্বে আমাদের জাতগুলোর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আমাদের নিজস্ব আর অ্যান্ড ডি খামারে কয়েক বছরব্যাপী পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়। শুধুমাত্র অধিক রোগ প্রতিরোধী ও সহনশীল জাতগুলো বাজারজাত করা হয়।
জামালপুর সীড্সের অধিকাংশ জাতই বারোমাসি তবে কিছু জাত ঋতুভিত্তিক বা বৎসরের নির্দিষ্ট সময়ে চাষের জন্য উত্তম।
জামালপুর সীড্সের জাতগুলো চাষ করতে প্রয়োজনীয় বীজের পরিমাণ জানতে আমাদের ক্যাটালগ দেখুন।
জামালপুর সীড্সের জাতগুলো চাষের পদ্ধতি, বীজ বপন ও চারা রোপণের সঠিক সময় ও চর্চা, প্রয়োজনীয় সারের বা বীজের পরিমাণ, এবং রোগ প্রতিরোধে করনীয় ইত্যাদি জানতে আমাদের ক্যাটালগ দেখুন।
জামালপুর সীড্সের জাতগুলো পরিপক্বতা বা বীজ বপন ও চারা রোপণের কতদিন পর ফসল তোলা যায় এসব জানতে আমাদের ক্যাটালগ বা প্যাকেটে মুদ্রিত জাতের বর্ণনা দেখুন অথবা আমাদের প্রোডাক্ট পেইজগুলো দেখুন।
জামালপুর সীড্সের জাতগুলো চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সারের পরিমাণ, চাষের পদ্ধতি, বীজ বপন ও চারা রোপণের সঠিক সময় ও চর্চা, প্রয়োজনীয় বীজের পরিমাণ, এবং রোগ প্রতিরোধে করনীয় ইত্যাদি জানতে আমাদের ক্যাটালগ দেখুন।
জামালপুর সীড্সের প্যাকেটকৃত বীজ কীটনাশকসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষামূলক দ্বারা আবৃত থাকে, এতে রোগের প্রাদুর্ভাব হ্রাস পায়, ফলন বৃদ্ধি পায়, এবং ফসল মানে উন্নত হয়।
জামালপুর সীড্স একটি বাংলাদেশি শীর্ষস্থানীয় বীজ কোম্পানি। আমাদের সুস্পষ্ট লক্ষ্য বাংলাদেশে কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং কৃষকের জন্য সমৃদ্ধি বয়ে আনা। প্রতিষ্ঠাতা মজিবুর রহমান ২০০৪ সালে জামালপুর সীড্স কোম্পানির যাত্রা শুরু করেন। সেই থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশে এফ১ হাইব্রিড শাকসবজি এবং ফলের বিতরণ ও সম্প্রসারণে বিভিন্ন এশীয় কোম্পানির সহযোগিতায় একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
আমাদের কার্যক্রমের মূলভিত্তি হলো আমাদের গবেষণা এবং উন্নয়ন (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, আর অ্যান্ড ডি) নির্ভর পরীক্ষা খামার, যেখানে আমরা বাংলাদেশের জলবায়ুর পক্ষে সবচেয়ে উপযুক্ত নাতিশীতোষ্ণ এবং ক্রান্তীয় জাতগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করি। সর্বোচ্চ ফলন এবং কৃষকের আর্থিক লাভ নিশ্চিত করে এমন সর্বোৎকৃষ্ট বীজ এবং পরীক্ষিত-জাতগুলো বাজারজাতকরণে আমরা বদ্ধপরিকর। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদাকে বিবেচনায় রেখে একটি উৎপাদনশীল এবং ঘাতসহ কৃষিখাত বজায় রাখতে সহযোগিতা করে যাওয়া।








































